ভিসা লাগানোর কথা বলে বহু লোকের ৫০ লাখ টাকা নিয়ে আত্মগোপনে দুবাই প্রবাসী সেনাতলা থানার আবদুল জব্বারের ছেলে প্রতারক আনোয়ারুল-অনাকান্তির কন্ঠ

আরব আমিরাত, প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ৩৫৩ বার পঠিত

বিশ্বব্যাপী যখন কোভিড-১৯ এর মহামারী চলছে, কর্মহীন অসহায়রা যখন প্রবাসে ধুঁকে ধুঁকে কাঁদছে ঠিক তখনই দুবাই প্রবাসী প্রতারক আনোয়ারুল ইসলাম নামক এক কুলাঙ্গার প্রবাসীদের চাকুরি দিবে বলে বাংলাদশী প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। আর এইদিকে কষ্ট আর অনাহারে এবংকি টাকার চিন্তায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে প্রবাসী ভুক্তভোগীদের। ভুক্তভোগীরা প্রবাসে এসে দালাল আনোয়ারুল ইসলামের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে রাত কাটাতে হয় রাস্তার দুইধার ও অলিগলিতে।ভিসা লাগিয়ে দিবে বলে যে রুমে রাখা হয়েছে সৈই রুমের ভাড়া পরিশোধ না করেই উধাও দালাল আনোয়ারুল।

প্রবাসী ভুক্তভোগী, শ্যামল, অন্তর, আবুল কালাম, মোঃ রিধোয়া, মোঃ মাহবুব, ও রতন
সহ অন্যন্য ভুক্তভোগীরা জানান, সে বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকুরি দেওয়া নামে, ভিজিট ভিসা, ভিসা রেনু, স্থায়ী ভিসা দিবে বলে বলে বাংলাদেশী টাকা প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে দেশে চলে যায়।

তারা আরো জানান,ভুক্তভোগী জানান এক এক জনের কাছ থেকে ৫০০০ দেরহাম ৬০০০ দেরহাম এরকম করে নিয়ে গেছে, আনোয়ারুল ইসলামের মত প্রতারক, কুলাঙ্গার, বাটপারকে যেন বাংলাদেশ পুলিশ গ্রেফতার করে আইনের মুখোমুখি করে এই জোর দাবি জানাই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভুক্তভোগীরা

ভুক্তভোগীরা জানান, বগুড়া জেলাধীন সোনাতলা থানার জোরগোছা ইউনিয়ন (পোঃ বোলুর পাড়া) মধ্য ডিকলকান্দি গ্রামের আবদুল জব্বার মন্ডলের ছেলে প্রতারক আনোয়ারুল ইসলাম। এই প্রতারক আনোয়ারুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে বগুড়া জেলার ডিসি, এসপি সহ সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ভুক্তভোগীরা আরো জানান, প্রতারক আনোয়ারুল ইসলামের গ্রামের বাড়িতে ফোনে যোগাযোগ করলে গত ৭/৬/২০২১ -তার মা বলেন ভিসা লাগানোর জন্য টাকা দিয়েছেন ভিসা হয়নি, কি করার আছে আমাদের! প্রতারক মায়ের কথা শুনলে মনে হয় যেন বগুড়া থেকেই নিয়ন্ত্রণ করে সব অপকর্ম।

প্রতারক আনোয়ারুল ইসলামের বাবা আবদুল জব্বার মন্ডল (মোবাইল ০১৭৪১১৭০৮২১) মোবাইলে কথা বললো ভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে কথা বলেন তিনি বলেন আমার ছেলের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই, দেশে আসছে কিনা আমি জানিনা, জবাবে আনোয়ারুলের বউয়ের মোবাইল নম্বর চাওয়া হলে আবদুল জবাবর জানান আমার কাছে নেই।

তিনি আরও জানান আমি সোনাতলায় আওয়ামীগের একটি মিটিংয়ে আছি আমাকে বিরক্ত করবেন না বলে ফোন কেটে দেয়।

আনোয়ারুল গত ৫/৬/২০২১ তারিখে বাংলাদেশ পালিয়ে যায় বলে কোম্পানির লোকজন জানান, আল ইনছা নামে কোম্পানির লোকজন জানান বেশকিছু লোকজনের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে গেছে আনোয়ারুল মন্ডল। প্রতিদিনই লোকজন আসে তার খোজে।

কোম্পানি একজন অফিস বয় জানান,আনোয়ারুল কোম্পানির বিভিন্ন দপ্তরে চাকরির দেয়ার নামে টাকা নিয়েছে, কিন্তু আমাদের কোম্পানি এবিষয়ে জানে না।
তবে এখন বুজতে বাকীনেই সে একজন প্রত্যারক।

প্রবাসে দালালদের খপ্পরে পড়া মানে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া। ভুক্তভোগী দুবাই প্রবাসীরা বাংলাদেশ সরকার সহ বগুড়া জেলা সকল আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে বীনিত অনুরোধ জানান, এই ভন্ড, দালাল, কুলাঙ্গার, প্রতারক আনোয়ারুল ইসলামকে খুঁজে বের করে আইনের আওয়াতা এনে শাস্তি প্রদান সহ টাকা ফেরতের জোর দাবি জানান।এবংকি সাধারন মানুষের কাছেও অনুরোধ জানাচ্ছি এই প্রতারককে ধরিয়ে দিতে আইনশৃংখলা বাহিনীকে সহযোগিতা করুন।

আরব আমিরাত থেকে এস ডি স্বপন জানান-ভুক্তভোগী সকল প্রবাসীরা এবিষয়ে প্রতারনা ও অর্থ আত্মসাৎ করায় আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের বগুড়ার সোনাতলা থানা সহ নিজ নিজ এলাকায় মামলা গঠনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর