শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ দেব ট্রাষ্ট মন্দিরের টাকা আত্মসাত সহ হাজার ও অভিযোগ ১ম পর্ব

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১
  • ৫৩২ বার পঠিত

আকাশ সরকারঃ

৩০ জুলাই ২০২১ইং

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার অন্তরগত প্রেমতলী শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ দেব ট্রাষ্ট শ্রী পাট খেতুরি ধামের খামারি প্রোনোদোনের বিশ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ম্যানেজার গোবিন্দ পালের বিরুদ্ধে।

জানাগেছে, বিগত ঈদ উল ফিতর এর পরে বিশ হাজার টাকা প্রোনোদোনা দান করেন খামারি স্টাট প্রকল্প। টাকা টি মন্দিরের ৯টি গবাদি পশুর খাদ্য উন্নয়ন এর জন্য দান করেন খামারি স্টাট প্রকল্প। কিন্তু সেই টাকা আত্মসাত করার চেষ্টা করেন ম্যানেজার গোবিন্দ পাল।

এই বিষয়ে প্রতিবাদ করেন এরিয়া ম্যানেজার শ্রী গোপাল ঘোষ সহ এলাকাবাসী। প্রতিবাদ করার কারণে বিভিন্ন অজুহাতে গোপাল ঘোষ কে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এলাকা বাসির সূত্রে জানা গেছে, জানান মন্দিরের ২২টি বড় বড় গাছ কেটে আত্মসাত করেছে, মন্দিরের বরাদ্দের চাউল এর কিছু অংশ বিক্রি করা হয়,রান্না করা অন্ন ভোগ ১০০টাকা প্রলেপ হিসেবে বহিরাগত ভক্ত দের কাছে বিক্রি করা হয়,বাহির থেকে ভক্ত এসে রাত্রি যাপন করলে ঘরের ভাড়া আদায় করা হয়, টাকা ব্যাতিত প্রসাদ পাননা গরিব ভক্তরা, টাকা দিতে না পেরে প্রসাদ না নিয়ে ফিরে আসেন গরিব ভক্তরা, টাকা না দিলে প্রসাদ পাননা গরিব ভক্তরা, বলে লিখিত অভিযোগ করেন এলাকা বাসি

এই অভিযোগ এর ভিত্তিতে পরবর্তীতে সজল ঘোষ প্রতিবাদ শুরু করেন। এবং এক পর্যায়ে সজল ঘোষ সভাপতি মদন মোহন দে কে অবহিত করেন।সভাপতি মদন মোহন দে পরবর্তীতে ম্যানেজার গোবিন্দ পাল কে জিজ্ঞেসাবাদ করলে এক পর্যায়ে তিনি অস্বীকার করেন। কিন্তু সজল ঘোষ ধীরে ধীরে প্রমাণ খুঁজতে থাকেন।যখন প্রমানিত হতে থাকে। তখন গোবিন্দ পাল স্বীকার করেন যে তিনি তার নিজস্ব খামারের টাকা মনে করে নিজস্ব খাতে রাখেন। এবং তখন তাকে চাপ সৃষ্টি করে সভাপতি মদন মোহন দে এবং সজল ঘোষ প্রমান গুলো জন সম্মুখে আনতে শুরু করেন ,তখন ম্যানেজার গোবিন্দ পাল ,গৌরাঙ্গ দেব বিগ্রহ ট্রাস্ট তহবিলে টাকা জমা দেন। কিন্তু এই ঘটনার সূত্র কে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায় ,ম্যানেজার গোবিন্দ পালের পদত্যাগ এর দাবিতে উঠে আছে সে দির্ঘ ১৫ বৎসর যাবত ম্যানেজার হিসাবে দ্বায়িত্বে থাকাতে নিজের মন মর্জি সব কাজ কর্ম করে আসছে।

১ম পর্ব

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর