গোদাগাড়ী উপজেলা মাটিকাটা ইউনিয়নে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও ২১শো‌ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১
  • ৩০৬ বার পঠিত

গোদাগাড়ী উপজেলা মাটিকাটা ইউনিয়নে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও ২১শো‌ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

স্টাফ রিপোর্টার

রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলা মাটিকাটা ইউনিয়নে এর 5 নম্বর ওয়ার্ডের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশে খুনের রাজনীতি শুরু করেন একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-বিএনপির দোসররা। ১৫ আগষ্টের ধারাবাহিকতায় ২১ আগষ্টের এই গ্রেনেড হামলা।

 

আজ শনিবার ২১ আগষ্ট গ্রেণেড হামলা দিবস। মোঃ বশির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে 5 নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম , মোঃ মাসুদ পারভেজ ( বিপ্লব ) বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক গোদাগাড়ি উপজেলা মাটিকাটা ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃআরিফুল ইসলাম ( বিপ্লব ) গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরব আলী গোদাগাড়ী উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মোঃ মনিরুল ইসলাম , আরো উপস্থিত ছিলেন মাটিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সহিদুল করিম শিবলী , পাঁচ নাম্বার ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোঃ ইসমাইল , 6 নাম্বার মাটিকাটা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খালিদ হোসেন , গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান হিরো , বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গোদাগাড়ী উপজেলার সহ-সভাপতি জনাব সাবিয়ার রহমান এবং শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ সাবিয়ার রহমান সাবু , 6 নাম্বার মাটিকাটা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জনাব মোঃ আশরাফুল হক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক 6 নং মাটিকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ সোহেল রানা 6 নম্বর মাটিকাটা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জনাব হাবিবুর রহমান , 6 নম্বর মাটিকাটা ইউনিয়ন মহিলা মহিলা লীগ এর সভাপতি নারী নেত্রী মিলি খাতুন সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ।

 

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তাঁর মৃত্যু নেই, তিনি চিরঞ্জীব। সমগ্র জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় প্রস্তুত করেছিলেন ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে সশ্রস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে। তাই বাঙালি জাতির চেতনায় তিনি চিরঞ্জীব।” ১৫ আগষ্ট ৭৫ সালে জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করার মাধ্যমে এই দেশে খুন,গণহত্যার রাজনীতি শুরু করেন তৎকালীন মোশতাক অনুসারী জিয়াউর রহমান। সবগুলো হত্যাকান্ডের বৈধতা দেন ইন্ডেমিনিটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার আমলে ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট আরেকটি নৃশংসহ ঘটনা সংগঠিত হয়।

 

২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট এই দিনে গ্রেনেডের বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউ। শেখ হাসিনার সমাবেশে অতর্কিত গ্রেনেড হামনায় নিহত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতির স্ত্রী মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী। আহত হন শেখ হাসিনাসহ ৫’শ নেতাকর্মীও অনেক সাংবাদিক। এ হামলা ছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালরাতের বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতা। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশুন্য করতে তথা সংগঠনকে নিঃশেষ করতে এই হামলা।

 

বঙ্গবন্ধু সহ ১৫ আগষ্ট ও ২১ আগষ্ট এ নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে

দোয়া শেষে অসহায়, দুস্থ ও পথচারীদের মাঝে রান্নাকরা খাবার বিতরণ করেন মোঃ সোহেল রানা

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর