নাচোলে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও সার্টিফিকেট সহকারীর অত্যাচারে আতঙ্কে আতাউর রহমান

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৪১৯ বার পঠিত

জাহাঙ্গীর আলম বাবুঃ

প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মোঃ আতাউর রহমান, পিতা- মৃত ইয়াসিন আলী, সাং- ইসলামপুর(উপজেলা বাজার), ডাকঘর+ উপজেলা-নাচোল,জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ কে সরকারি নোটিশ ছাড়া বাড়ি ঘর ভাঙ্গার হুমকি-ধামকি প্রদান করেন নাচোল ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও সার্টিফিকেট সহকারী ময়না খাতুন, ০৪/০২/২০০১ সালে নাচোল মৌজার ৬৫৮ দাগের(সাবেক দাগ-৮৬৫)সাড়ে ৬শতক মাটি এনামুল হক ও বেলাল আনসারীর নিকট থেকে ক্রয় করে মাটির বাড়ি তৈরি করে বসবাস করে আসিছি। কিন্তু ৪/৫ দিন যাবৎ নাচোল ভূমি অফিসের অফিস সার্টিফিকেট সহকারী ময়না খাতুনের আমাদের বাড়ীর পেছনে বাড়ী হওয়ায়। তার বাড়ী থেকে উপজেলা বাজারে উঠার জন্য একটি ১২ফিটের এইচবিবি রাস্তা রয়েছে। সেই রাস্তা দিয়ে উক্ত পাড়ার সকল জনসাধারণ চলাচল করে। কিন্তু ভূমি অফিসের স্টাফ ময়না খাতুন ক্ষমতার দাপটে তার বাড়ী থেকে উপজেলা গেটে সামনে উঠার জন্যৎ তাদের বাড়ি উচ্ছেদ করে রাস্তা চাই। আতাউর রহমান বলেন আমি গরীব অসহায় মানুষ। আমার বসত ভিটায় দেওয়াল দিয়ে কাচা বাড়ি তৈরি করে বসবাস করি এবং বাড়ীর সামনে রাস্তা সংলগ্ন ছোট একটি মিস্টি ও চায়ের দোকান দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। কিন্তু ৩/৪ দিন থেকে ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট সহকারী ময়না খাতুন জোরপূর্বক সেখান দিয়ে রাস্তা করবে বলে আমাদের বাড়ী ও দোকান সরিয়ে নিতে বলে। সেই সাথে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মাহমুদুল হক আমাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাড়ী অপসারন করতে বলে। নইলে পুলিশ দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান করবে মর্মে হুমকি প্রদান করে। এছাড়া ময়নার স্বামী মজিদুল হক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে বাড়ী ভাংতে বলে। ময়নার চাচা মৃত আমজাদ বিশ্বাসের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান কালু তিনি হুমকি প্রদান করে বাড়ী ভাংতে বলে। আমাদের ক্রয়কৃত জমি থেকে কেন আমরা উচ্ছেদ করবো এটা সার্ভেয়ারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা ভেস্টেট জমি এটা সরকারী সম্পত্তি তাই আপনাদের সরকারী জায়গা ছাড়তে হবে। আমার স্ত্রী জোসনা বেগম বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে বলতে গেলে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ইউএনও অফিসের গেটে ধমক প্রদান করে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেই। পরে আমার স্ত্রী ইউএনও সাবিহা সুলতানার নিকট গেলে ইউএনও মহোদয় গ্রামে বসে নিষ্পত্তি করতে বলেন। তারা গ্রামের প্রভাবশালী হওয়ায় সুবিচার না পাওয়া আশংকায় তাই বাধ্য হয়ে উক্ত বিষয়টি মাতৃ জগত পত্রিকায় তুলে ধরলাম করলাম।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করে উল্লিখিত বিষয়াদি মানবিক দিক বিবেচানা করে জমির কাগজপত্র দেখে সরেজমিনে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য আকুল আবেদন জানাই আতাউর রহমান ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর