1. admin@onakanthirkantho.com : admin :
  2. editor1@raytahost.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  3. banhlarodikar69@gmail.com : Manun Mahi : Manun Mahi
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাজগঞ্জের চালুয়াহাটি ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মশিউর রহমানের মৃত্যু টাঙ্গাইল জেলায় সার্কেল অফিসার হিসেবে প্রথম স্হান অর্জন করলেন মধুপুর সার্কেল অফিসার রাণীশংকৈলে সপ্তাহব্যাপি ৩১ তম বৈশাখী মেলার উদ্বোধন দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে সবাইকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের প্রবাসী সমাজ কল্যান পরিষদ ইউ এ ই এর উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আদালত থেকে পালানোর সময় চাকলা গ্রামের সাইফুল আটক রাণীশংকৈলে কুলিক নদীতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উদযাপন মধুপুরে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত কচুয়ায় অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

বিএনপি নেতা মাদকসম্রাট খুনি মনসুরের প্রথম পর্ব

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫০৩ বার পঠিত

সুরুজ:রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ৩০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত আছে জামাত-বিএনপি শ্বসনতন্ত্রের ১নং কাউন্সিলর নির্বাচিত হন মনসুর রহমান রাজশাহী পশ্চিম অঞ্চল বর্ডার নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসেবে মাদক জোন হিসেবে সবার কাছে পরিচিত ছিল রাজশাহী কোর্ট ১ নম্বার ওয়ার্ডের সংলগ্ন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৎকালীন ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মনসুর রহমান রাজশাহী নগরী ১নং ওয়ার্ড গুড়িপাড়াকে একটি মাদক পল্লী হিসেবে গড়ে তুলেন রাজশাহী পশ্চিম অঞ্চলের সকল মাদক ব্যবসায়ীকে মনসুর রহমান রাজশাহী কোর্টের ভয়-ভীতি দেখিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন দলীয় ক্ষমতা নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনীর দ্বারা নগরী গুড়িপাড়া এলাকায় মাদক হট স্পট হিসেবে রাজশাহীতে পরিচিতি লাভ করে মনসুর বাহিনীর ভয়ে এলাকা থেকেও কেউ টু শব্দ করার সাহস পাইনি দিনে রাতে সবসময় সকল মাদক পাওয়া যেত গুড়িপাড়ায় তৎকালীন ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রজব আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা ও কিছু এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে নিয়ে প্রতিবাদ করেন কিছুতেই থামানো যাচ্ছিল না এই মাদক ব্যবসা কে কর্পোরেশনেরশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৩০ জুন রাজশাহী সিটি নির্বাচনে এক নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে অংশ নেন নিহত শাহিন শাহর বড় ভাই রজব আলী। ঐ নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মনসুর রহমান। নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় মনসুরের বিরুদ্ধে রাজশাহী নির্বাচন অফিসে অভিযোগ করেন শাহিন শাহ এবং তার ভাই রজব আলী। এছাড়া রাজশাহী অঞ্চলের মাদকজোন হিসেবে খ্যাত রাজশাহী মহানগরীর গুড়িপাড়ায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রক মনসুরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আওয়ামী লীগ নেতা রজব এবং তার পরিবারের সদস্যরা। এসব ঘটনায় ক্ষিপ্ত হন মনসুর। তিনি প্রকাশ্যে রজব এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেন। এ ঘটনার জের ধরে ২০১৩ সালের ২৭ আগস্ট মনসুর এবং তার ক্যাডার বাহিনী রজবের বাড়ি এবং ব্যবসায়িক কার্যালয়ে হামলা চালান। হামলায় রজবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দুইজন ব্যবস্থাপক গুরুতর আহত হন। পরের দিন ২৮ আগস্ট দুপুর ১২টায় মনসুর রহমান আবারও তার সহযোগী বিএনপি-জামায়াত ক্যাডারদের সাথে নিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নগরীর গুড়িপাড়া এলাকায় শাহিন শাহর ওপর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সশস্ত্র হামলা চালায়। ফলে ঘটনাস্থলেই নৃশংসভাবে খুন হন রাজশাহী কোর্ট কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহিন শাহ। এ ঘটনায় শাহিন শাহর ছোট ভাই রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ আক্তার নাহান পরের দিন ২৯ আগস্ট মনসুরসহ বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডারদের বিরুদ্ধে নগরীর রাজপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় রাজপাড়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম রেজাউল ইসলাম মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামানকে দায়িত্ব দেন। এরপর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটির কার্যক্রম শুরু হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা ঐ আদালতে ৩১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠন হয়। ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দিও গ্রহণ করা হয়। কিন্তু সাফাই সাক্ষীর নামে কালক্ষেপণ করতে থাকেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার নিষ্পত্তি ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। প্রয়োজনবোধে আরও ৪৫ দিন অতিরিক্ত সময় দিতে পারেন ট্রাইব্যনালের বিচারক। কিন্তু দফায় দফায় সাফাই সাক্ষীর অজুহাতে মামলাটির মেয়াদ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে শেষ হয়ে যায়। এরপর নিয়মানুযায়ী রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে মামলাটি স্থানান্তর করা হয়। অবশেষে মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। নিহত শাহেন শাহর ছোট ভাই ও মামলার বাদী রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ আকতার নাহান স্মৃতি হাতড়ে বলছিলেন, ২০১৩ সালের ১৫ জুন) রাজশাহী সিটির নির্বাচন হয়। আমার আরেক ভাই রজব আলী কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন। তবে ভোটে তিনি হেরে যান। প্রধান ঘাতক মনসুর রহমান কাউন্সিলর হন। ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচন নিয়ে। সন্ত্রাসীরা পরিকল্পনামাফিক আমার ভাইকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। দুঃখের বিষয়, আমরা এখনো ভাই হত্যার বিচার পাইনি। বিচারের আশায় কাঁদে শাহেন শাহর দুই সন্তান। উপরন্ত সন্ত্রাসীরা এখন দিনের আলোয় বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আমাদেরই চোখের সামনে। চাঞ্চল্যকর শাহেন শাহ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা দশবার পিছিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মুসাব্বিরুল ইসলাম বলেন, করোনাকালে আদালতগুলোর কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে। এ কারণে রায় লেখার কাজও শেষ হয়নি। আশা করি, আগামী ৩০ শে সেপ্টেম্বর ধার্য তারিখে এ রায় ঘোষণা হবে।

দ্বিতীয় পর্বে মনসুরের সহযোগীদের নাম সহ দেখতে চোখ  রাখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

Archive Calendar

All rights reserved © 2019
Design by Raytahost