রমজানে যানজট মুক্ত সড়ক, গণপরিবহনে নৈরাজ্য ও সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

মারুফ সরকারঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২
  • ১২৭ বার পঠিত

রমজানে যানজট মুক্ত সড়ক, গণপরিবহনে নৈরাজ্য ও সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

মারুফ সরকার ,ঢাকা :

আজ ২৭ মার্চ ২০২২ রবিবার সকাল ১১ ঘটিকায় বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজ কর্তৃক আয়োজিত”সড়কে যানজট, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিবাদে”মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ, সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশে যানজট এতটা তীব্র হয়েছে যে ঘর থেকে বের হওয়া আজ মুশকিল হয়ে পড়েছে। দশটার অফিস ধরতে ভোর ছয়টায় বের হতে হয়। ঘরে ফিরতে গভীর রাত হয়ে যাচ্ছে। নাগরিকদের লক্ষ লক্ষ কর্মঘন্টা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সড়কে ভোগান্তির নাগরিকের পরিবারে অশান্তি ডেকে আনছে। ব্যবসা-বাণিজ্য অফিস-আদালত এই ভোগান্তি বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। ফুটপাত দখল করে চাঁদাবাজির চাঁদাবাজি করছে যার কারণে সাধারণ নাগরিকরা হেঁটে গন্তব্যে যেতে পারছে না, ভারতের মাঝখান দিয়ে চলাফেরা করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের এক যুগেও সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এখনো এনালগ রয়ে গেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়।

ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে ও ওয়েবিল এর কথা বলে সর্বনিম্ন ২০ টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনার কথা বলে শেষ করা যাবেনা। মৃত্যুর মিছিল আজও থামছে না। সেইসাথে নারীর শ্লীলতাহানি অধিক পরিমাণে বেড়ে যাচ্ছে। রোজার মাস আসলে সড়কে যানজট চাঁদাবাজি ও ভোগান্তির এবং সড়ক দুর্ঘটনা অধিক পরিমাণে বেড়ে যায়। রোজা রেখে এই দুর্ভোগ নাগরিক জীবনে বড় কষ্ট দায়ক।

প্রধান বক্তা সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি হানিফ খোকন বলেন, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হলে দ্রব্যমূল্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনা সম্ভব। ঢাকা শহরে ঢুকতে ও বের হতে পরিবহনগুলিকে চাঁদা দিতে হয়। এই চাঁদার প্রভাব যাত্রী সাধারণ ও পণ্যের উপর প্রভাব ফেলে। ফুটপাত ভাড়া দিয়ে চাঁদাবাজি করার কারণে ফুটপাত দিয়ে মানুষ চলতে পারে না। রাস্তায় এলোমেলো চলার কারণে অহরহ দূর্ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের নামে ও মালিক সমিতির দেদারসে চাঁদাবাজি চলে।

আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় ভোক্তা সংগঠনের সভাপতি আতাউল্লাহ, এনবিএম’র সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরা, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, কবি, সাহিত্যিক রাজু আহম্মদ খান, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু, সবুজ আন্দোলনের আবুল কালাম আজাদ, সংগঠনের সদস্য শেখ ফরিদ, লোটাস কামাল প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর